Monday, September 2, 2024

কখনও ভাবিনি ড্রিংকস ব্রেকের আগেই ব্যাটিংয়ে নামতে হবে’

 



‘কখনও ভাবিনি ড্রিংকস ব্রেকের আগেই ব্যাটিংয়ে নামতে হবে’

ক্রিকেট | 1st September, 2024 11:24 pm




ছবি: সংগৃহীত



পাকিস্তানের পেসারদের দাপটে দিনের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। চেপে ধরে ছিল অল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার দুঃস্বপ্নও। তবে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে লড়াই জমিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ।


রোববার (১ সেপ্টেম্বর) রাওয়ালপিন্ডিতে ধ্বংসস্তূপ থেকে দলকে টেনে তোলেন ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার লিটন। আর মিরাজ করেন ৭৮ রান। তিনিও জাগিয়েছিলেন সেঞ্চুরির আশা। তবে তিন অঙ্কে পৌঁছাতে না পারলেও বাংলাদেশ তাদের ব্যাটিংয়ের কল্যাণে পেয়ে যায় ২৬২ রান।


তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, আমি মেহেদি হাসান মিরাজের সঙ্গে ব্যাটিং করাটা উপভোগ করি। সে সবসময় ইতিবাচক থাকে। আমরা সবসময় ভেবেছি কীভাবে আমরা রান করতে পারি। জানি আমরা ব্যাকফুটে ছিলাম তখন, তবে সুযোগ ছিল। বড় রান পেতে আপনাকে সুযোগ লুফে নিতেই হবে।


২৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পরের পরিস্থিতি নিয়ে লিটন বলেন, কিছুটা নার্ভাস ছিলাম তখন। কারণ আমি কখনও


ভাবিনি ড্রিংকস ব্রেকের আগেই আমাকে ব্যাটিংয়ে নামতে হবে। কিছুটা নার্ভাস ছিলাম সেজন্য। মিরাজ এবং আমি যখন ব্যাট করছিলাম তখন আমরা বলছিলাম যে তাদের এখন ভালো মোমেন্টাম আছে। আমরা সময় নিব এবং দেখা যাক সামনে কী হয়। নার্ভাস থাকলেও আমি চেষ্টা করে গেছি ইতিবাচক থাকতে। দায়িত্ব নিয়ে খেলে যেতে। সুযোগটা লুফে নিতে।


লাঞ্চের পর নিজের আগ্রাসী ব্যাটিং নিয়ে লিটন বলেন, খুররমের (শাহজাদ) ওভারটা মনে হয় লাঞ্চের পর ছিল। লাঞ্চের পর রিফ্রেশমেন্টের ব্যাপার ছিল। তারা অনেকক্ষণ ধরে ওভার করেছে কিছুটা টায়ার্ডও ছিল। আমি সেই সুযোগটাই নিয়েছি। আমার জোনে বল ছিল তাই আমি রান করেছি।

Sunday, September 1, 2024

লিংকে ক্লিক করে জেনে নিন কার ভক্ত বেশি


 দেখা যাক বাংলাদেশ কার ভক্ত বেশি সাকিব আল হাসান নাকি

জীবনের সুখী হওয়ার কৌশল


 জীবনে সুখী হওয়ার জন্য কিছু সাধারণ কৌশল:


1. **আত্ম-জ্ঞান বৃদ্ধি:** নিজের শক্তি, দুর্বলতা ও লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন হন। 


2. **সক্ষমতা ও স্বীকৃতি:** নিজের অর্জনগুলো মেনে নিন এবং ছোট সফলতাও উদযাপন করুন।


3. **সম্পর্ক গড়া:** সুস্থ ও সুখময় সম্পর্ক তৈরি করুন। পরিবার, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে ভালো সময় কাটান।


4. **ধৈর্য ও ইতিবাচক মনোভাব:** জীবনের উত্থান-পতনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করুন। 


5. **স্বাস্থ্যবান জীবনযাপন:** নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সঠিক খাবার খান এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।


6. **অভিনব অভ্যাস:** নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন এবং নিজের পছন্দের কার্যক্রমে সময় দিন।


7. **পরামর্শ ও সহায়তা:** প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সাহায্য নিন।


এই কৌশলগুলো জীবনের নানা দিক থেকে সুখ অর্জনে সহায়তা করতে পারে।

ভালোবাসা মানুষকে কিভাবে প্রস্তাব দিতে হয়

প্রস্তাব দেওয়ার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত:

1. **ইতিবাচক ও আত্মবিশ্বাসী হওয়া:** আপনার অনুভূতিগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশ করুন এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে

কথা বলুন। 

2. **প্রসঙ্গ নির্বাচন:** একটি উপযুক্ত সময় ও স্থান নির্বাচন করুন, যেখানে উভয়েই আরামদায়ক অনুভব করবেন। 

3. **প্রকৃত অনুভূতি প্রকাশ:** সৎভাবে আপনার অনুভূতি ও ভাবনাগুলো বলুন। উদাহরণস্বরূপ, “আমি তোমার সঙ্গে আরও সময় কাটাতে চাই এবং তোমার সাথে সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। তুমি কি আমার সঙ্গে ভবিষ্যতে থাকতে চাও?”

4. **শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া:** যে কোনো প্রতিক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। তাদের সিদ্ধান্ত ও অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখান। 

সফল প্রস্তাবের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিন এবং প্রস্তাবের সময় শান্ত ও স্বচ্ছ থাকুন।

প্রিয় মানুষকে কিভাবে ভালোবাসার কথা বলতে হবে




 প্রস্তাব দেওয়ার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখা উচিত:


1. **ইতিবাচক ও আত্মবিশ্বাসী হওয়া:** আপনার অনুভূতিগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশ করুন এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলুন। 


2. **প্রসঙ্গ নির্বাচন:** একটি উপযুক্ত সময় ও স্থান নির্বাচন করুন, যেখানে উভয়েই আরামদায়ক অনুভব করবেন। 


3. **প্রকৃত অনুভূতি প্রকাশ:** সৎভাবে আপনার অনুভূতি ও ভাবনাগুলো বলুন। উদাহরণস্বরূপ, “আমি তোমার সঙ্গে আরও সময় কাটাতে চাই এবং তোমার সাথে সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। তুমি কি আমার সঙ্গে ভবিষ্যতে থাকতে চাও?”


4. **শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া:** যে কোনো প্রতিক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। তাদের সিদ্ধান্ত ও অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখান। 


সফল প্রস্তাবের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিন এবং প্রস্তাবের সময় শান্ত ও স্বচ্ছ থাকুন।

মান্নাদের বিখ্যাত গানের কলি গুলো


 মান্না দে বাংলা ও হিন্দি সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। তাঁর অসংখ্য বিখ্যাত গান রয়েছে, বিশেষ করে আধুনিক বাংলা ও হিন্দি গানে। তাঁর কিছু উল্লেখযোগ্য বাংলা গান:


1. **কফি হাউসের সেই আড্ডাটা** – এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় গান যা এখনও প্রজন্মের পর প্রজন্ম শুনে থাকে।

2. **আমায় পথের পথে নিয়ে চল** – এই গানটি একটি অত্যন্ত সুন্দর এবং শ্রুতিমধুর গান।

3. **শোনো কোন একদিন** – একটি আবেগঘন প্রেমের গান।

4. **জীবনে কি পাবো না** – একজন সংগ্রামী ব্যক্তির জীবনের কথা বলা হয়েছে এই গানে।

5. **এই কুল এই চরণ** – এটি একটি ভক্তিমূলক গান।

   

হিন্দি গানেও মান্না দে অত্যন্ত সফল ছিলেন। তাঁর কিছু বিখ্যাত হিন্দি গান:


1. **লাগা চুনরি মে দাগ** – এটি একটি ক্লাসিক্যাল মেলোডি।

2. **এক চতুর নার** – এই মজাদার গানটি "পড়োসন" সিনেমার একটি ক্লাসিক।

3. **তু প্যায়ার কা সাগর হ্যায়** – ভক্তিমূলক ও আবেগপূর্ণ একটি গান।

4. **পুছো না ক্যায়সে রাত** – একটি হৃদয় ছোঁয়া ক্লাসিক্যাল গান।

5. **জিন্দেগি ক্যায় হ্যায় কাহানি** – জীবনের গভীর দর্শন তুলে ধরা হয়েছে এই গানে।


মান্না দে তার গায়কীতে শাস্ত্রীয় সংগীত ও আধুনিক সুরের অপূর্ব মিশ্রণ ঘটাতে সক্ষম ছিলেন, যা তাকে সর্বকালের সেরা গায়কদের একজন করে তুলেছে।

রবীন্দ্রনাথের একটা সুন্দর গান

 নিচে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি জনপ্রিয় ও সুন্দর গানের কথা দেওয়া হলো:


**আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে**

  

আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে  

দেখতে আমি পাইনি।  

তুমি আছ তুমি থাকবে  

হৃদয়েরই আড়ালে,  

সারা জীবন খুঁজে খুঁজে  

তোমার নামই পাইনি।  

  

তুমি আছ, হৃদয় জুড়ে  

হৃদয় অগোচরে  

নিশিদিন তাই তো তোমায়  

স্বপ্নে ও জাগরণে চাইনি।  

  

গানের এই কথাগুলো প্রেম, অনুভূতি এবং গভীর সম্পর্কের এক অসাধারণ প্রকাশ।